Wednesday, April 24, 2024


চরফ্যাশনে ক্যামিষ্ট সমিতির সেক্রেটারি জালালের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ভোলা প্রতিনিধিঃ চরফ্যাশন এর ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সেক্রেটারি ও হাসপাতাল রোডের শওকত মেডিকেল হল এর প্রোপাইটর জালাল উদ্দীন এর…

By স্টাফ রিপোর্টার , in Uncategorized , at February 21, 2023

ভোলা প্রতিনিধিঃ চরফ্যাশন এর ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সেক্রেটারি ও হাসপাতাল রোডের শওকত মেডিকেল হল এর প্রোপাইটর জালাল উদ্দীন এর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন জোবায়ের নামে এক ব্যাক্তি।লিগ্যাল নোটিশ এর একটি কপি ক্রাইম আওয়ার এর প্রতিনিধির কাছে রয়েছে। উক্ত লিগ্যাল নোটিশ এর বিবরণে জানাযায়, জনাব জোবায়ের বাংলাদেশ সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কতৃক অনুমোদিত এসিএল আয়ুর্বেদিক কোম্পানি কতৃক উৎপাদিত ঔষধ বাজারজাত করছেন, লাইফ কেয়ার (ন্যাচারাল) নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিয়ে। লিগ্যাল নোটিশে উৎপাদক কোম্পানির লাইসেন্স নম্বর দেয়া হয়েছে আয়ু- ২০৪ এবং বাজারজাত করন অনুমোদন নম্বর দেয়া হয়েছে ১৬৩।অতঃপর জোবায়ের গত ৪ ফেব্রুয়ারী তাহার ঔষধ চরফ্যাশনে বাজারজাত করতে গিয়ে জানতে পারেন চরফ্যাশন ক্যামিষ্ট সমিতির সেক্রেটারি দাবিদার ও শওকত মেডিক্যাল হলের প্রোপাইটর জালালউদ্দিন লাইফ কেয়ার ন্যাচারাল এর ঔষধ সামগ্রী চরফ্যাশন সদরের ফার্মেসী ব্যাবসায়ীদেরকে ক্রয়- বিক্রয় করতে নিষেধ করেছে। গ্রাহকের কাছথেকে ঔষধের মুল্য কম রাখলে জরিমানা সহ নানা ভাবে হয়রানি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে সেক্রেটারি জালালের বিরুদ্ধে। ব্যাবসায়ীদেরকে জরিমানা ও হয়রানির বিষয়ে বিগত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হলে উপজেলা নির্ভাহী অফিসার আল নোমান ও জেলা ড্রাগসুপার এর তোপের মুখে পরতে হয়েছে জালালকে। একটি সুএে জানায়,চরফ্যাশনে নুতন কোন কোম্পানি ঔষধ বাজারজাত করতে গেলে দোকানদার দেরকে ঐ কোম্পানির ঔষধ বিক্রি করতে নিষেধ করেন জালাল, পরবর্তীতে ঐ কোম্পানির লোকজন তার সাথে শান্তি চুক্তি করলে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেন জালাল উদ্দীন। এরকম শান্তিচুক্তির নিয়তে জালাল লাইফ কেয়ার ( ন্যাচারাল) এর ঔষধ ক্রয় বিক্রয় করতে নিষেধ করেন বলে ধারনা অনেকের, কিন্তু বিধিবাম লাইফ কেয়ার এর প্রোপাইটর জোবায়ের এর কাছে এসে গলায় কাঁটা আটকিয়ে গেল জালালের। জোবায়ের জানান আমি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কতৃক অনুমোদিত একটি কোম্পানির ঔষধ মার্কেটিং করি।আমার ঔষধ এর বৈধতার ব্যাপারে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে সে জানতে পারতো ঔষধগুলো বৈধ নাকি অবৈধ। যদি ঔষধ প্রশাসন অবৈধ বলতো তাহলে জালাল সাহেব বাংলাদেশ ক্যামিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির গঠনতন্ত্রানুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারতো কিন্তু জালাল সাহেব নিজেই আইনের ধারক-বাহক হয়ে ঔষধ ক্রয় বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।এমন অধিকার তাকে কে দিয়েছে ? তাহলে ঔষধ প্রশাসন রয়েছে কেন? ঔষধ প্রশাসন এর কাজ সে কোন অধিকারে প্রোয়োগ করে ? তাই আমি উকিল নোটিশ এর মাধ্যমে জানতে চেয়েছি কোন আইনের ভিত্তিতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কতৃক অনুমোদিত ঔষধ ক্রয় বিক্রয় করতে নিষেধ করেছে সে। গত ৯ ফেব্রুয়ারী জালালউদ্দিন কে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর একজন অ্যাডভোকেট( অ্যাডভোকেট আরিফুর রহমান) লিগ্যাল নোটিশ প্রেরন করেছেন আমার পক্ষ থেকে। উক্ত লিগ্যাল নোটিশ এর আইনগত ব্যাখা দিলে পরবর্তী সিদ্ধান্তে যাব। উক্ত নোটিশে জেলা ড্রাগ সুপার ইফ্রাহীম ইকবাল চৌধুরী কে ও বিবাদী করা হয়েছে, যেহেতু ঔষধ সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সরকারি আইনগত অধিকার আছে তার।সেখানে অন্য কোন ব্যাক্তি তার নির্দেশ ছাড়া এমন ঘোষণা দেয় কিভাবে? তাই আইনগতভাবে তিনিও দায় এড়াতে পারেন না বিধায় তাকে ও বিবাদী করা হয়েছে। এই ব্যাপারে জালাল উদ্দীন এর সাথে মোবাইলে কথা বলতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পর তিনি মোবাইল ফোন কেটে দেন। এই ব্যাপারে জেলা ড্রাগ সুপার বলেন আমার অফিসে একটি লিগ্যাল নোটিশ পৌঁচেছে বলে জানতে পেরেছি। আমি ঔষধ প্রশাসন এর হেড অফিসে রয়েছি। আমি এসে উক্ত নোটিশ দেখে পরবর্তীতে আপনাকে জানাবো