Monday, April 22, 2024


চরফ্যাশনে জালালের শকুনি নজরে ঔষধ ব্যাবসায়ীগন।

মিজানুর রহামান শাহীন, ভোলা প্রতিনিধিঃ চরফ্যাশন এ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সেক্রেটারি জালালের শকুনি নজরে রয়েছে চরফ্যাশন এর  ঔষধ ব্যাবসায়ীগন…

By স্টাফ রিপোর্টার , in অপরাধ ও দূর্নীতি , at November 18, 2021

মিজানুর রহামান শাহীন, ভোলা প্রতিনিধিঃ চরফ্যাশন এ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সেক্রেটারি জালালের শকুনি নজরে রয়েছে চরফ্যাশন এর  ঔষধ ব্যাবসায়ীগন এমন অভিযোগ করেছেন চরফ্যাশন সদরের একাদিক ফার্মেসি ব্যাবসায়ী। ঔষধ ব্যাবসায়ীরা আরো অভিযোগ করেন জালালের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির নামে চাঁদাবাজি ও জরিমানার বিষয়ে। অভিযোগ কারী একজন ফার্মেসি ব্যাবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান জালাল  কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সেক্রেটারি হওয়ায় যা ইচ্ছা তাই করেন। চরফ্যাশনে এম আর পি বাস্তবায়নের নামে নিজের ইচ্ছা মত সমিতিতে আইন প্রনয়ন করছে জালাল। গরিব অসহায় রোগিদের থেকে ঔষধের মুল্য কম রাখার সদিচ্ছা থাকেলেও কম রাখতে পারিনা কারন কম রাখলে জরিমানা করা হয় সমিতির মাধ্যমে। একটি রুচি ট্যাব কৌটার পাইকারী মুল্য ৬০/-টাকা খুচরা মুল্য ৩৫০/- টাকা,  অধিকাংশ ভিটামিন সিরাপ ৬০/৭০ টাকায় পাইকারি  কেনা হয় গায়ের মুল্য ৩৫০/-টাকা , ইচ্ছা থাকলে ও কম নিতে পারিনা তার প্রনয়নকৃত  আইনের কারনে। এছাড়া ও সমিতির মাধ্যমে জালাল  চাঁদাবাজী  করে বেড়াচ্ছে। যারা সমতির সদস্য হয়নাই তাদের কাছে অন্য দোকানদারদের ঔষধ বিক্রি করতে নিষেধ করা হয় সমিতির নোটিশের মাধ্যমে। সমতির সদস্য না হওয়ার কারনে নোটিশ এর মাধ্যমে চরফ্যাশন সদর রোড,মেঘনা, এসটিএস,থানা রোড আইফা, ইফরান , সেবা মেডিকেল। হাসপাতালের পূর্ব পাশে,ভাই ভাই, মিলি,সার্জিক্যাল,এরব, আরবী,তামান্না, আলমদিনা মেডিকেল হল,আল সাফিয়া, আনোয়ারা, নুসাইবা মেডিকেল হল লঞ্চ ঘাট জিসান মেডিকেল হল। স্কয়ার হাসপাতালের নিচের দোকান ও হক মেডিকেল হলে ঔষধ বিক্রি করতে নিষেধ করে নোটিশ দিয়েছেন জালাল। সেই নোটিশ এর কপি ক্রাইম আওয়ার এর প্রতিনিধির কাছে দিয়েছেন একজন ঔষধ ব্যাবসায়ী। ডে নাইট মেডিকেল হলের রুবেল অবিযোগ করে বলেন সমিতি হয়েছে সদস্যদের উপকারের জন্য কিন্তু এখানে দেখি সমতির সদস্যরা তাদের ক্রোধ থাকে যেসব দোকানে যারা তদের কথা শুনতে চায়না  সেসব দোকানে তারা হয়রানি করেন।সমতির সদস্য না এমন দোকানদারদের কাছে ঔষধ  বিক্রি করা যাবেনা কেন ? এমন আইন করার এখতিয়ার বিসিডিএস রাখে কিনা এমন প্রশ্নে সেক্রেটারি জালালের সাথে কথা বল্লে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেনি তবে তিনি  বলেন  অবৈধ ঔষধ বিক্রি বন্ধে স্থানীয় ভাবে এটা করা হয়েছে। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও জালাল সমতির নীতিমালায় তা নিজ দায়িত্বে বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ভোলা এর সাথে আলাপ করলে তিনি জানান ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এটা বৈধ ঔষধ নয় এটা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।