Monday, April 22, 2024


চরফ্যাশনে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের।

চরফ্যাশন প্রতিনিধিঃ চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচায় নুরজাহান (৩২) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যার অভিযোগে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৫/৭/২৩ ইং…

By স্টাফ রিপোর্টার , in অপরাধ ও দূর্নীতি , at July 20, 2023

চরফ্যাশন প্রতিনিধিঃ চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচায় নুরজাহান (৩২) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যার অভিযোগে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৫/৭/২৩ ইং তারিখে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেন ভিকটিম নুরাজাহানের বাবা মাওলানা মোঃ মোস্তফা।উক্ত মামলায় নুরজাহানের স্বামী জাকির হোসেন( ৩৯) সহ ৬ জনকে আসমীসহ আরো ৫/৬ জন কে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামালার অভিযোগ সুএে জানা জায়, ভিকটিম নুরজাহানকে ২০০৯ইং সনে আসামী জাকির হোসেন এর সাথে কাবিনমুলে বিবাহ দিয়ে ফার্নিসার ও মালামাল সহ তুলিয়া দেয় নুরজাহানের পরিবার।মামলায় বাদী আরো উল্লেখ করেন নুরজাহানকে বিভিন্নসময় যৌতকের দাবীতে তার স্বামী জাকির হোসেন মারধর করতো।এরই ভিত্তিতে সে তার মেয়ের সুখ শান্তির কথা চিন্তা করে ঐ মেয়েকে বিশ( ২০) শতাংশ জমি ক্রয় করে দেন। মেয়ের বাবা মাওলানা মোস্তফা জানান, আসামি জাকির এর সাথে তার নিকটতম আত্মীয় ফাহিমা (২৫) নামের এক মেয়ের সাথে পরকিয়া প্রেম ছিল। গত ১১/৫/২০২৩ ইং তারিখ ঘটনার দিন রাত ১০.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম নুরজাহান তার বাবাকে ফোন করে জানায়, আমি অন্তঃসত্ত্বা বিধায় সুস্থ হওয়ার কথা বলে আমার স্বামী জাকির কি যেন ঔষধ খাওয়াইছে আমাকে। এখন আমার বুক জ্বালা পোড়া করিতেছে।এমতাবস্থায় আসামি জাকির হোসেন লাথি দিয়া নুরজাহান থেকে ফোনটি নিয়া যায়। তার কান্না ও চিৎকার শুনতে পায় বিপরীত পার্শ্বে থাকা তার বাবা মোস্তফা। এসময় ভিকটিম নুরজাহান জোড়ালো চিৎকার দিয়া বলে আমার ফোন নাও কেন ? বিষয় টি তার বাবার সন্দেহ হলে তিনি দ্রুত আসামি জাকিরের বাড়িতে যায়।সেখানে গিয়ে দেখে তার মেয়ে মৃত অবস্থায় পরে আছে।ইতোমধ্যে আসামি জাকির এম্বুলেন্স আনিয়া চরফ্যাশন হাসপাতালে নিয়ে আসেন। জাকির ভিকটিম নুরজাহানকে এম্বুলেন্সে উঠানোর সময় কোন সারা সব্দ ছিলনা।এর কিছুক্ষণ পরে ঐ এম্বুলেন্সে করে ফেরৎ আনিয়া জাকির বলে অসুস্থ্য বিধায় সে মারা গিয়াছে বলে ডাক্তার ঘোষণা দেন। কিন্তু সে চরফ্যাশন কোন হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়েছে তা সঠিক ভাবে বলে নাই।লাশ বাড়িতে আনিয়া মহিলা দেখা যায়েজ নাই ফতুয়া দিয়ে খুব তড়িৎগতিতে লাশের দাপন সম্পন্ন করে। এই ঘটনার ২২দিনপর আসামি জাকির তার পরকিয়া প্রেমিকা ফাহিমাকে বিয়ে করে ঘরে নিয়ে আসে এবং ভিকটিম নুরজাহান এর ছোট ছেলে জুবায়ের ( ৪) ও মেয়ে কে তার নানা বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।ছোট্ট জুবায়ের থেকে তারা জানতে পারে সেদিন রাতের লোমহর্ষক ঘটনা। জোবায়ের জানায় তার বাবা আসামি জাকির তার মাকে মারধর করে ও মুখ চেপে ধরে মেরে ফেলছে এবং কিভাবে মেরেছে তার বাস্তব রুপ সে নিজের মুখ চেপে ধরে ক্রাইম আওয়ার এর প্রতিনিধির কাছে তুলে ধরেছে।জুবায়ের এর আরেক বড় ভাই জহিরুল ইসলাম ( ৮) ঘুমানো ছিল ঘটনার দিন। ঘটনার পরথেকেই জহিরুল ইসলামকে অন্যএ সরিয়ে রেখেছে আসামি জাকির। জহিরুলকে উদ্ধার করতে পারলে হয়তো এই হত্যার রহস্য দ্রুত উদঘাটন হবে বলে স্হানীয় লোকজনের ধারনা। উক্ত মামলাটি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্র্যাট মোস্তাফিজুর রহমান আমলে নিয়ে পুলিশ সুপার ভোলা, তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এর নিচে নয় এমন কর্মকর্তা কে দিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এই বিষয়ে আসামী জাকির এর মোবাইল ফোনো ফোন করে তাকে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরে জাকির ফোন কেটে দেয়।তার বক্তব্য নেয়ার জন্য তার বাড়িতে গেলে ঘরের দরজায় তালা জুলানো দেখতে পাওয়া যায়।